আশুরার দিনে আল্লাহ আসমান ও যমিন সৃষ্টি করেছেন।
এ দিনে তিনি পাহাড়, পর্বত, নদনদী... সৃষ্টি করেছেন।
এ দিনে তিনি কলম সৃষ্টি করেছেন।
এ দিনে তিনি লাওহে মাহফুয সৃষ্টি করেছেন।
এ দিনে তিনি আরশ সৃষ্টি করেছেন।
এ দিনে তিনি আরশের উপরে সমাসীন হয়েছেন।
এ দিনে তিনি কুরসী সৃষ্টি করেছেন।
এ দিনে তিনি জান্নাত সৃষ্টি করেছেন।
এ দিনে তিনি জিবরাঈলকে (আ) সৃষ্টি করেছেন ।
এ দিনে তিনি ফিরিশতাগণকে সৃষ্টি করেছেন।
এ দিনে তিনি আদমকে (আ) সৃষ্টি করেছেন।
এ দিনে তিনি আদমকে (আ) জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন।
এ দিনে তিনি ইদরীসকে (আ) আসমানে উঠিয়ে নেন।
এ দিনে তিনি নূহ (আ)-কে নৌকা থেকে বের করেন।
এ দিনে তিনি দায়ূদের (আ) তাওবা কবুল করেছেন।
এ দিনে তিনি সুলাইমান (আ)-কে রাজত্ব প্রদান করেছেন।
এ দিনে তিনি আইউব (আ)- এর বিপদ-মসিবত দূর করেন।
এ দিনে তিনি তাওরাত নাযিল করেন।
এ দিনে ইবরাহীম (আ) জন্মগ্রহণ করেন.... খলীল উপাধি লাভ করেন ।
এ দিনে ইবরাহীম (আ) নমরূদের অগ্নিকুণ্ডু থেকে রক্ষা পান।
এ দিনে ইসমাঈল (আ) কে কুরবানী করা হয়েছিল।
এ দিনে ইউনুস (আ) মাছের পেট থেকে বাহির হন।
এ দিনে আল্লাহ ইউসূফকে (আ) জেলখানা থেকে বের করেন।
এ দিনে ইয়াকুব (আ) দৃষ্টি শক্তি ফিরে পান।
এ দিনে ইয়াকুব (আ) ইউসূফের (আ) সাথে সম্মিলিত হন।
এ দিনে হযরত মুহাম্মাদ (সা) জন্মগ্রহণ করেছেন।
এ দিনে কেয়ামত সংঘঠিত হবে...।
আশুরার দিন মুসা (আ) এবং তার সাথীদের মুক্তি ছাড়া আর কোন ঘটনা সহীহ্ হাদীস দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। আদম (আ) তওবা কবুল, নুহ (আ) এর নৌকা জুদি পর্বতে থামা, ঈসা (আ) এর জন্মগ্রহণ কয়েকটি অনির্ভরযোগ্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, তাই মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার এই যে, আমাদের দেশের বক্তাগণ তাদের ওয়াজে এই সকল ভূয়া কথাবার্তা বলে সাধারণ লোকদের বিভ্রান্ত করেন । (ড. খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর, হাদীসের নামে জালিয়াতি: প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা)